1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. বিনোদন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. সারাদেশ
  8. ক্যাম্পাস
  9. গণমাধ্যম
  10. ভিডিও গ্যালারী
  11. ফটোগ্যালারী
  12. আমাদের পরিবার
ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪ , ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

টানা দুই জয় নিয়ে এবারের আইপিএল পর্বটা শুরু করল কলকাতা নাইট রাইডার্স

বিনোদন ডেস্ক
আপলোড সময় : ৩০-০৩-২০২৪ ১২:৩৬:১২ পূর্বাহ্ন
আপডেট সময় : ৩০-০৩-২০২৪ ১২:৩৬:১২ পূর্বাহ্ন
টানা দুই জয় নিয়ে এবারের আইপিএল পর্বটা শুরু করল কলকাতা নাইট রাইডার্স নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি ওপেনার ও অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি


সোনালী রাজশাহী ডেস্ক: কোহলির ক্যামিওর বিপরীতে আইয়ারদের জয় টানা দুই জয় নিয়ে এবারের আইপিএল পর্বটা শুরু করল কলকাতা নাইট রাইডার্স।

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের পরে এবার কলকাতা ধরাশায়ী করেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে। এদিকে চলতি আইপিএলে প্রথম হার দেখল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুুরু। দলটি ৭ উইকেটে হারল কলকাতা নাইটা রাইডার্সের বিপক্ষে।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) চলতি আইপিএলের দশম ম্যাচে মু্খোমুখি হয় বেঙ্গালুরু ও কলকাতা। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে বেঙ্গালুরুর সংগ্রহ ১৮২ রান।

দলের পক্ষে একাই ৮৩ রানের অপরাজিত এক ক্যামিও ইনিংস খেলেন কোহলি। তবে সেই ইনিংসকে পেছনে ফেলে ১৬.৫ ওভারে জয় তুলে নেয় কলকাতা। কলকাতার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেও দলকে জেতাতে পারেননি বিরাট কোহলি। আগের ম্যাচে পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে ৪৯ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন কোহলি। দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিতে কলকাতার বিপক্ষেও দারুণ ইনিংস খেলেন তিনি। তবে শুরুটা যতটা মারকুটে ছিল, শেষদিকে সেই ছন্দটা ঠিক ধরে রাখতে পারেননি কোহলি ও তার দল।

অন্যদিকে নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি ওপেনার ও অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি। ৬ বলে ৮ রান করে অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি আউট হওয়ার পর দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ঝড় তুলে পাওয়ার প্লেতে দলকে ৬১ রান এনে দেন কোহলি ও ক্যামেরন গ্রিন। ২১ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৩৩ রান করে ইনিংসের নবম ওভারে আউট হন গ্রিন। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে আসরে নিজের টানা দ্বিতীয় ফিফটি হাঁকিয়ে নেন কোহলি। তাকে সঙ্গ দিতে আসা ম্যাক্সওয়েল ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৯ বলে ২৮ রান করে আউট হন। দলের সংগ্রহ তখন ১৪.১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১২৪ রান।

এরপর ক্রিজে এসে স্থায়ী হতে পারেননি রজত পাতিদার (৩) ও অনুজ রাওয়াত (৩)। পরপর দুই ব্যাটারের বিদায়ে রানের গতি কিছুটা মন্থর হয়ে আসে বেঙ্গালুরুর। কোহলিও যেন কিছুটা চুপসে যান। শেষদিকে দিনেশ কার্তিক নেমে অবশ্য ৩ ছক্কায় ৮ বলে ২০ রানের গুরুত্বপূর্ণ এক ইনিংস খেলে দলের সংগ্রহ ১৮০ পার করেন।

৫৯ বলে ৪ ছক্কা ও ৪ চারের মারে ৮৩ রান করে অপরাজিত থাকেন কোহলি। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে দ্বিতীয় জীবন দিয়েছিলেন সুনীল নারিন। পরে নারিনই তাকে সাজঘরে পাঠিয়েছিল।

কলকাতার পক্ষে ২৯ রান খরচায় ২ উইকেট নেন রাসেল। ২ উইকেট নিতে হারশিতের খরচ ৩৯ রান। অন্যদিকে বল হাতে পুরোপুরি ব্যর্থ ছিলেন মিচেল স্টার্ক। ৪ ওভার বল করে সর্বোচ্চ ৪৭ রান খরচ করলেও উইকেটশূন্য ছিলেন তিনি। নিজের চেনা স্টাইলের প্রমাণ আরও একবার দিলেন বিরাট কোহলি।

দল হারলেও ব্যাট হাতে মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন। ১৮৩ রানের জবাবে ভালোই শুরু করে কলকাতা। দুই ওপেনার ফিল সল্ট ও সুনীল নারিন সাত ওভারের আগেই ৮৬ রান তুলেন স্কোরবোর্ডে। সেখানেই যেন এগিয়ে যায় কলকাতা। ২২ বলে ৪৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে নারিন আউট হলেও ছেদ পড়েনি রান তোলার গতিতে।

দলীয় ৯২ রানে আউট হন সল্ট। পিঠের ব্যথায় ভুগেছেন ভেঙ্কটেশ। তবুও চালিয়ে গেছেন খেলা। তুলে নিয়েছেন হাফ সেঞ্চুরি। এরপরেই আউট হয়ে যান রাইডার্স তারকা।

এরপরে ইনিংসকে সামনে নিয়ে গেছেন দুই আইয়ার- ভেঙ্কটেশ আইয়ার ও অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। ভেঙ্কটেশ করেন ৩০ বল থেকে ৫০ রান।

অপরদিকে কলকাতার অধিনায়ক করেন ২৪ বলে অপরাজিত ৩৯ রান। তাতে ১৯ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের জয় তুলে নেয় কলকাতা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Daily Sonali Rajshahi

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ