ঢাকা , রবিবার, ০৪ জুন ২০২৩, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নওগাঁ পোরশায় ক‍্যানসার আক্রান্ত শিশু মাইশাকে বাঁচাতে সাহায্যের আবেদন পরিবারের

সোনালী রাজশাহী  : নওগাঁর পোরশা উপজেলার ৫ বছরের ছোট্ট শিশু মাইশা (৫)তাকে বাঁচাতে চায় তার পরিবার । সে মরনব্যাধি  ক্যান্সারে রোগে আক্রান্ত। শিশু মাইশা উপজেলার নিতপুর মাষ্টারপাড়ার মির হোসেনের মেয়ে। মাইশার বাবা মির হোসেন ও মা রোজিনা বেগম জানান, তাদের ৪ ছেলে-মেয়ের মধ্যে মাইশা সবার ছোট। এতদিন মাইশা খুব ভাল ছিল।

গত রমজানের ঈদের পরে মাইশা হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান পরীক্ষা নিরিক্ষা শেষে তার ক্যান্সার ধরা পড়ে।

মির হোসেন জানান, তিনি বাড়ির পাশে ক্ষুদ্র খড়ির ব্যবসা করেন। এতে তার পরিবার পরিচালনা করা খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এরই মধ্যে মেয়ে ক্যান্সারে আক্রান্ত জেনে তিনি ভেঙ্গে পড়েছেন। ছোট্ট মাইশা এখন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০নং ওয়ার্ড ৩য় তলায় চিকিৎসাধনি রয়েছে।

তিনি জানান, মাইশাকে ডাঃ কেমো থেরাফি দেওয়ার জন্য বলেছেন। এরমধ্যই সাধ্য অনুযায়ী কয়েকটি দেওয়া হয়েছে। একবার কেমো থেরাফী খরচ দেড় লক্ষ টাকা। তিনি এখন আর এ ব্যায় বহন করতে পারছেন না। তিনি মেয়ের চিকিৎসা করাতে গিয়ে সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন বলে জানান।

এজন্য তিনি তার মেয়েকে বাঁচানোর জন্য সাহায্যের  আবেদন করেন,  যার  যতটুকু সামর্থ আছে তা দিয়ে সহযোগীতা করার জন্য অনুরোধ করেছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

নওগাঁ পোরশায় ক‍্যানসার আক্রান্ত শিশু মাইশাকে বাঁচাতে সাহায্যের আবেদন পরিবারের

আপডেট সময় ০৩:৪১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ মে ২০২৩

সোনালী রাজশাহী  : নওগাঁর পোরশা উপজেলার ৫ বছরের ছোট্ট শিশু মাইশা (৫)তাকে বাঁচাতে চায় তার পরিবার । সে মরনব্যাধি  ক্যান্সারে রোগে আক্রান্ত। শিশু মাইশা উপজেলার নিতপুর মাষ্টারপাড়ার মির হোসেনের মেয়ে। মাইশার বাবা মির হোসেন ও মা রোজিনা বেগম জানান, তাদের ৪ ছেলে-মেয়ের মধ্যে মাইশা সবার ছোট। এতদিন মাইশা খুব ভাল ছিল।

গত রমজানের ঈদের পরে মাইশা হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান পরীক্ষা নিরিক্ষা শেষে তার ক্যান্সার ধরা পড়ে।

মির হোসেন জানান, তিনি বাড়ির পাশে ক্ষুদ্র খড়ির ব্যবসা করেন। এতে তার পরিবার পরিচালনা করা খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এরই মধ্যে মেয়ে ক্যান্সারে আক্রান্ত জেনে তিনি ভেঙ্গে পড়েছেন। ছোট্ট মাইশা এখন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০নং ওয়ার্ড ৩য় তলায় চিকিৎসাধনি রয়েছে।

তিনি জানান, মাইশাকে ডাঃ কেমো থেরাফি দেওয়ার জন্য বলেছেন। এরমধ্যই সাধ্য অনুযায়ী কয়েকটি দেওয়া হয়েছে। একবার কেমো থেরাফী খরচ দেড় লক্ষ টাকা। তিনি এখন আর এ ব্যায় বহন করতে পারছেন না। তিনি মেয়ের চিকিৎসা করাতে গিয়ে সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন বলে জানান।

এজন্য তিনি তার মেয়েকে বাঁচানোর জন্য সাহায্যের  আবেদন করেন,  যার  যতটুকু সামর্থ আছে তা দিয়ে সহযোগীতা করার জন্য অনুরোধ করেছেন।